কলকাতার ভিড়ভাট্টার শহরে থাকত অর্ণব আর মেঘলা। একই কলেজে পড়ত তারা। প্রথম দেখা হয়েছিল লাইব্রেরিতে—একটা বই নিয়ে দুজনের একসাথে হাত পড়েছিল।
মেঘলা হেসে বলেছিল,
“আপনি নিন, আমি পরে নেব।”
অর্ণব একটু লজ্জা পেয়ে বলেছিল,
“না না, আপনি নিন। আমি অপেক্ষা করতে পারি।”
সেই ছোট্ট মুহূর্ত থেকেই শুরু হয়েছিল তাদের গল্প।
দিন যেতে লাগল। লাইব্রেরির সেই টেবিল, কলেজের ক্যান্টিন, আর বিকেলের চা—সব জায়গায় তারা একসাথে। অর্ণব খুব শান্ত, আর মেঘলা ছিল হাসিখুশি। মেঘলার হাসি দেখলেই অর্ণবের মনে হতো, পৃথিবীতে আর কিছু দরকার নেই।
একদিন হঠাৎ মেঘলা বলল,
“অর্ণব, যদি কোনোদিন আমি হঠাৎ চলে যাই, তুমি কি আমাকে ভুলে যাবে?”
অর্ণব হেসে বলেছিল,
“তুমি চলে গেলে আমি কোথায় যাব? আমার সব তো তোমার মধ্যেই।”
কিন্তু জীবন সবসময় গল্পের মতো হয় না।
কলেজ শেষ হওয়ার কিছুদিন পর মেঘলার পরিবার তাকে নিয়ে চলে যায় অন্য শহরে। যোগাযোগ ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যায়। অর্ণব অনেক খুঁজেছিল, কিন্তু মেঘলাকে আর পায়নি।
পাঁচ বছর পরে একদিন অর্ণব পুরনো বই গুছাতে গিয়ে একটা খাম পেল। খামের ওপর লেখা—
“অর্ণবের জন্য।”
চিঠিটা খুলে পড়ল সে।
অর্ণব ধীরে ধীরে বাইরে বেরিয়ে গেল।
বৃষ্টির ফোঁটা মুখে পড়তেই সে মৃদু হেসে বলল—
“আমি জানি, তুমি আছো… সবসময়।” ️
মেঘলা হেসে বলেছিল,
“আপনি নিন, আমি পরে নেব।”
অর্ণব একটু লজ্জা পেয়ে বলেছিল,
“না না, আপনি নিন। আমি অপেক্ষা করতে পারি।”
সেই ছোট্ট মুহূর্ত থেকেই শুরু হয়েছিল তাদের গল্প।
দিন যেতে লাগল। লাইব্রেরির সেই টেবিল, কলেজের ক্যান্টিন, আর বিকেলের চা—সব জায়গায় তারা একসাথে। অর্ণব খুব শান্ত, আর মেঘলা ছিল হাসিখুশি। মেঘলার হাসি দেখলেই অর্ণবের মনে হতো, পৃথিবীতে আর কিছু দরকার নেই।
একদিন হঠাৎ মেঘলা বলল,
“অর্ণব, যদি কোনোদিন আমি হঠাৎ চলে যাই, তুমি কি আমাকে ভুলে যাবে?”
অর্ণব হেসে বলেছিল,
“তুমি চলে গেলে আমি কোথায় যাব? আমার সব তো তোমার মধ্যেই।”
কিন্তু জীবন সবসময় গল্পের মতো হয় না।
কলেজ শেষ হওয়ার কিছুদিন পর মেঘলার পরিবার তাকে নিয়ে চলে যায় অন্য শহরে। যোগাযোগ ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যায়। অর্ণব অনেক খুঁজেছিল, কিন্তু মেঘলাকে আর পায়নি।
পাঁচ বছর পরে একদিন অর্ণব পুরনো বই গুছাতে গিয়ে একটা খাম পেল। খামের ওপর লেখা—
“অর্ণবের জন্য।”
চিঠিটা খুলে পড়ল সে।
“অর্ণব,
যদি তুমি এই চিঠিটা পড়ো, তাহলে বুঝবে আমি হয়তো অনেক দূরে।
আমি তোমাকে কখনো বলতে পারিনি—আমি খুব অসুস্থ ছিলাম।
তোমাকে কষ্ট দিতে চাইনি বলে চলে গিয়েছিলাম।
কিন্তু বিশ্বাস করো, আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সময় ছিল তোমার সাথে কাটানো দিনগুলো।
যদি কোনোদিন বৃষ্টির মধ্যে হাঁটো, মনে করো আমি তোমার পাশেই আছি।
চিঠিটা পড়ে অর্ণব জানালার বাইরে তাকাল। ঠিক তখনই হালকা বৃষ্টি শুরু হয়েছে।তোমার মেঘলা।”
অর্ণব ধীরে ধীরে বাইরে বেরিয়ে গেল।
বৃষ্টির ফোঁটা মুখে পড়তেই সে মৃদু হেসে বলল—
“আমি জানি, তুমি আছো… সবসময়।” ️



