• We kindly request chatzozo forum members to follow forum rules to avoid getting a temporary suspension. Do not use non-English languages in the International Sex Chat Discussion section. This section is mainly created for everyone who uses English as their communication language.

ছোট্ট প্রজাপতিটা

SatoruGojoX l

Epic Legend
Chat Pro User
এইমাত্র ছোট্ট প্রজাপতিটা গুটির বলটা ছিঁড়ে বেরিয়ে এল তেঁতুলবেলার আলোয়। ঝিরঝিরে বাতাস লাগল তার পাতলা-পাতলা রঙিন দুটো ডানায়। চারধারের গাছপালা, ফুল দেখে আর বাগানের মিষ্টি-মিষ্টি গন্ধ পেয়ে সে বড় হকচকিয়ে গেছে। এসব তো সে কখনও দেখেনি, তাই ভারি অবাক লাগছে তার। যখন সে ছিল একটা নিতান্তই শুঁয়োপোকা, তখন অবশ্য এই বাগানেই সে শুঁড় খাই-খাই করে ঘুরে বেড়াত, কিন্তু সে-সব কথা তার আর এখন মনে নেই। এইমাত্র সে আবার নতুন করে জন্মাল এ সুন্দর নীল আকাশের তলায়, একটা সবুজ পাতার ওপর। এখন সে আর একটা বিচ্ছিরি, নিভৃতচারী পোকা নয়। সে এখন পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর প্রাণীদের একজন!
কিন্তু তার এখন খুব ভয় করছে। কাছে তো তার বাবা। মা, আত্মীয়-স্বজন কেউ নেই! আসলে প্রজাপতিদের তো আর পাখির বাচ্চাদের মতো মা-বাবা থাকে না! থাকবেই বা কী করে?
মা প্রজাপতির ডিম থেকে তো আর ছোট্ট সুন্দর বাচ্চা একটা প্রজাপতি বেরিয়ে এসে হুটাং ফুলে-ফুলে উড়তে শুরু করে না। মা প্রজাপতির ডিম থেকে যে বেরিয়ে আসে সে একেবারেই তার মা-বাবার মতো দেখতে নয়! ডিম থেকে বেরিয়ে আসে হাঁড়-কুচ্ছিত একটা পোকা, যার একটা নাম পর্যন্ত নেই। নিশ্বাস নেবার জন্যে আছে শুধু তার লম্বা সরু দেহটার দু-পাশে কয়েকটা ফুটো। এই পোকাটির ইংরেজি নাম দুটো কিন্তু ভারী জবর , ক্যাটারপিলার আর লার্ভা।
কোনো প্রজাপতিই এই ছোট্ট বিশ্রী পোকাটিকে তাদের আত্মীয় বলে মনে করে না। পোকাটা একা-একা বাগানে ঘুরে বেড়ায়। আর, খাওয়া ছাড়া সে অন্য কিছু বোঝে না। গাছ-পাতা ফুল ফল সবকিছু থেকেই সে শুঁড় রস শুষে নেয় রাত-দিন। আর এইসব খাবার থেকে তার দেহের মধ্যে প্রচুর চর্বি জমতে থাকে।
তারপর একদিন অদ্ভুত এক ঘটনা ঘটে।
সারাদিন পাতা খেয়ে বেড়ানো সেই নিঃসঙ্গ শুঁয়োপোকাটি হঠাৎ যেন ক্লান্ত হয়ে পড়ে পৃথিবীর কোলাহলে। সে ধীরে ধীরে গাছের এক নির্জন ডালে উঠে যায়। তারপর নিজের মুখের নরম লালা দিয়ে নিজের চারদিকে বুনতে শুরু করে এক আশ্চর্য নীরব ঘর , একটি ছোট্ট সবুজ অন্ধকার। বাইরে তখনও রোদ ঝলমল করছে, ফুলেরা বাতাসে দুলছে, পাখিরা আকাশ জুড়ে গান গেয়ে উড়ছে; অথচ সে সবকিছু থেকে নিজেকে সরিয়ে নেয়। যেন পৃথিবীর বুক থেকে মুছে গিয়ে সে ডুবে যায় গভীর, অচেনা এক ধ্যানে।
দিন যায়। রাত যায়।
সেই নিস্তব্ধ আবরণের ভিতরে চলতে থাকে এক অলৌকিক রূপান্তর। তার পুরোনো শরীর ধীরে ধীরে ভেঙে যায়, গলে যায়, হারিয়ে যায়। আর সেই ভাঙনের ভিতর থেকেই জন্ম নিতে থাকে নতুন এক সৌন্দর্য। জন্ম নেয় রঙিন ডানা, জন্ম নেয় আকাশ ছুঁয়ে উড়ে যাওয়ার স্বপ্ন। প্রকৃতি যেন আপন মনে এক গোপন শিল্পীর মতো তাকে নতুন করে গড়ে তোলে অসুন্দর থেকে সুন্দর, মাটি থেকে আলো, নিঃসঙ্গতা থেকে বিস্ময়।
তারপর এক ভোরে, যখন পাতার ডগায় শিশির কাঁপছে আর সূর্যের প্রথম আলো নিঃশব্দে পৃথিবীর গায়ে এসে পড়েছে, তখন সেই ছোট্ট আবরণটা ধীরে ধীরে ফেটে যায়।
আর সেখান থেকে বেরিয়ে আসে এক প্রজাপতি।
তার ডানায় যেন রঙধনুর ঘুম ভাঙা রঙ। কখনও নীল আকাশের মতো শান্ত, কখনও কৃষ্ণচূড়ার মতো জ্বলন্ত, কখনও আবার গোধূলির আলোর মতো কোমল। সে প্রথমে একটু থমকে থাকে। তারপর বাতাস এসে আলতো করে ছুঁয়ে দেয় তাকে। আর মুহূর্তের মধ্যেই সে ডানা মেলে উড়ে ওঠে আলোয় ভরা আকাশের দিকে।
তখন কেউ আর বুঝতেই পারে না, এই সেই অবহেলিত শুঁয়োপোকা, যাকে দেখে সবাই ঘৃণায় মুখ ফিরিয়ে নিত। যে একদিন মাটির কাছাকাছি হামাগুড়ি দিয়ে বেড়াত, আজ সেই-ই আকাশের অসামান্য.....
 
এইমাত্র ছোট্ট প্রজাপতিটা গুটির বলটা ছিঁড়ে বেরিয়ে এল তেঁতুলবেলার আলোয়। ঝিরঝিরে বাতাস লাগল তার পাতলা-পাতলা রঙিন দুটো ডানায়। চারধারের গাছপালা, ফুল দেখে আর বাগানের মিষ্টি-মিষ্টি গন্ধ পেয়ে সে বড় হকচকিয়ে গেছে। এসব তো সে কখনও দেখেনি, তাই ভারি অবাক লাগছে তার। যখন সে ছিল একটা নিতান্তই শুঁয়োপোকা, তখন অবশ্য এই বাগানেই সে শুঁড় খাই-খাই করে ঘুরে বেড়াত, কিন্তু সে-সব কথা তার আর এখন মনে নেই। এইমাত্র সে আবার নতুন করে জন্মাল এ সুন্দর নীল আকাশের তলায়, একটা সবুজ পাতার ওপর। এখন সে আর একটা বিচ্ছিরি, নিভৃতচারী পোকা নয়। সে এখন পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর প্রাণীদের একজন!
কিন্তু তার এখন খুব ভয় করছে। কাছে তো তার বাবা। মা, আত্মীয়-স্বজন কেউ নেই! আসলে প্রজাপতিদের তো আর পাখির বাচ্চাদের মতো মা-বাবা থাকে না! থাকবেই বা কী করে?
মা প্রজাপতির ডিম থেকে তো আর ছোট্ট সুন্দর বাচ্চা একটা প্রজাপতি বেরিয়ে এসে হুটাং ফুলে-ফুলে উড়তে শুরু করে না। মা প্রজাপতির ডিম থেকে যে বেরিয়ে আসে সে একেবারেই তার মা-বাবার মতো দেখতে নয়! ডিম থেকে বেরিয়ে আসে হাঁড়-কুচ্ছিত একটা পোকা, যার একটা নাম পর্যন্ত নেই। নিশ্বাস নেবার জন্যে আছে শুধু তার লম্বা সরু দেহটার দু-পাশে কয়েকটা ফুটো। এই পোকাটির ইংরেজি নাম দুটো কিন্তু ভারী জবর , ক্যাটারপিলার আর লার্ভা।
কোনো প্রজাপতিই এই ছোট্ট বিশ্রী পোকাটিকে তাদের আত্মীয় বলে মনে করে না। পোকাটা একা-একা বাগানে ঘুরে বেড়ায়। আর, খাওয়া ছাড়া সে অন্য কিছু বোঝে না। গাছ-পাতা ফুল ফল সবকিছু থেকেই সে শুঁড় রস শুষে নেয় রাত-দিন। আর এইসব খাবার থেকে তার দেহের মধ্যে প্রচুর চর্বি জমতে থাকে।
তারপর একদিন অদ্ভুত এক ঘটনা ঘটে।
সারাদিন পাতা খেয়ে বেড়ানো সেই নিঃসঙ্গ শুঁয়োপোকাটি হঠাৎ যেন ক্লান্ত হয়ে পড়ে পৃথিবীর কোলাহলে। সে ধীরে ধীরে গাছের এক নির্জন ডালে উঠে যায়। তারপর নিজের মুখের নরম লালা দিয়ে নিজের চারদিকে বুনতে শুরু করে এক আশ্চর্য নীরব ঘর , একটি ছোট্ট সবুজ অন্ধকার। বাইরে তখনও রোদ ঝলমল করছে, ফুলেরা বাতাসে দুলছে, পাখিরা আকাশ জুড়ে গান গেয়ে উড়ছে; অথচ সে সবকিছু থেকে নিজেকে সরিয়ে নেয়। যেন পৃথিবীর বুক থেকে মুছে গিয়ে সে ডুবে যায় গভীর, অচেনা এক ধ্যানে।
দিন যায়। রাত যায়।
সেই নিস্তব্ধ আবরণের ভিতরে চলতে থাকে এক অলৌকিক রূপান্তর। তার পুরোনো শরীর ধীরে ধীরে ভেঙে যায়, গলে যায়, হারিয়ে যায়। আর সেই ভাঙনের ভিতর থেকেই জন্ম নিতে থাকে নতুন এক সৌন্দর্য। জন্ম নেয় রঙিন ডানা, জন্ম নেয় আকাশ ছুঁয়ে উড়ে যাওয়ার স্বপ্ন। প্রকৃতি যেন আপন মনে এক গোপন শিল্পীর মতো তাকে নতুন করে গড়ে তোলে অসুন্দর থেকে সুন্দর, মাটি থেকে আলো, নিঃসঙ্গতা থেকে বিস্ময়।
তারপর এক ভোরে, যখন পাতার ডগায় শিশির কাঁপছে আর সূর্যের প্রথম আলো নিঃশব্দে পৃথিবীর গায়ে এসে পড়েছে, তখন সেই ছোট্ট আবরণটা ধীরে ধীরে ফেটে যায়।
আর সেখান থেকে বেরিয়ে আসে এক প্রজাপতি।
তার ডানায় যেন রঙধনুর ঘুম ভাঙা রঙ। কখনও নীল আকাশের মতো শান্ত, কখনও কৃষ্ণচূড়ার মতো জ্বলন্ত, কখনও আবার গোধূলির আলোর মতো কোমল। সে প্রথমে একটু থমকে থাকে। তারপর বাতাস এসে আলতো করে ছুঁয়ে দেয় তাকে। আর মুহূর্তের মধ্যেই সে ডানা মেলে উড়ে ওঠে আলোয় ভরা আকাশের দিকে।
তখন কেউ আর বুঝতেই পারে না, এই সেই অবহেলিত শুঁয়োপোকা, যাকে দেখে সবাই ঘৃণায় মুখ ফিরিয়ে নিত। যে একদিন মাটির কাছাকাছি হামাগুড়ি দিয়ে বেড়াত, আজ সেই-ই আকাশের অসামান্য.....
Shuyopoka theke projapoti hoye othar journey ta khub sundor bhabe bornona korechis. Somosto safollyer poschate thake ekakitto, monojogita ebong kothor oddhyaboshai. Tai nijeke projapoti kore tulte shuyopokader aral hoye jete hoi.
 
Top