দূর শহরে, সাজিয়েছি এক ঘর,
সবাই আছে আপন সেথা, তবুও মাগো পর।
আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে রোজ, মুছি চোখের জল,
হাসি মুখে সব সামলাই মা— বুকে নিয়ে বল।
যন্ত্রণারা ভিড় করে যখন শরীরের প্রতিটি কোণে,
তোমার কোলের শান্ত ছায়া খুব বেশি পড়ে মনে।
কাকে বলব মনের কথা? কে শুনবে আর বলো?
তোর মতো কি কেউ আছে মা— চোখে জল টলোমলো?
সেই যে তোমার শাড়ির গন্ধ, সংক্রান্তির অবসান,
আমার রুক্ষ একলা জীবনে— তুই যে মা রে প্রাণ।
অসুখ হলে শিহরে আমার হাতটি কে আর রাখে?
কে আর এমন আকুল হয়ে 'মা জননী' বলে ডাকে?
প্রতিটি হাড়ের খাঁজে খাঁজে আজ বিষাদেরা দেয় নাড়া,
তোর হাসিমুখ মনে পড়লে— পাই যে মুক্তিধারা।
সবাই দেখে লড়াকু আমায়, শক্ত মনের মেয়ে,
ভিতরে আমি কেবল কাঁদি, তোরই পানে চেয়ে।
ভালো আছি, ভালো আছি মা— এই মিথ্যেটা রোজ বলি,
তোর শেখানো মন্ত্রে আমি সবটা পথ চলি।
তোর গায়ের ওই মাটির গন্ধ মিশুক আমার সাথে,
খুঁজে পাই যেন তোর ওই হাত— আমার রিক্ত হাতে।
সবাই আছে আপন সেথা, তবুও মাগো পর।
আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে রোজ, মুছি চোখের জল,
হাসি মুখে সব সামলাই মা— বুকে নিয়ে বল।
যন্ত্রণারা ভিড় করে যখন শরীরের প্রতিটি কোণে,
তোমার কোলের শান্ত ছায়া খুব বেশি পড়ে মনে।
কাকে বলব মনের কথা? কে শুনবে আর বলো?
তোর মতো কি কেউ আছে মা— চোখে জল টলোমলো?
সেই যে তোমার শাড়ির গন্ধ, সংক্রান্তির অবসান,
আমার রুক্ষ একলা জীবনে— তুই যে মা রে প্রাণ।
অসুখ হলে শিহরে আমার হাতটি কে আর রাখে?
কে আর এমন আকুল হয়ে 'মা জননী' বলে ডাকে?
প্রতিটি হাড়ের খাঁজে খাঁজে আজ বিষাদেরা দেয় নাড়া,
তোর হাসিমুখ মনে পড়লে— পাই যে মুক্তিধারা।
সবাই দেখে লড়াকু আমায়, শক্ত মনের মেয়ে,
ভিতরে আমি কেবল কাঁদি, তোরই পানে চেয়ে।
ভালো আছি, ভালো আছি মা— এই মিথ্যেটা রোজ বলি,
তোর শেখানো মন্ত্রে আমি সবটা পথ চলি।
তোর গায়ের ওই মাটির গন্ধ মিশুক আমার সাথে,
খুঁজে পাই যেন তোর ওই হাত— আমার রিক্ত হাতে।